July 29, 2021, 12:02 am

বিজ্ঞপ্তি:
সর্বশেষ আপডেট জানতে চোখ রাখুন (www.bdvoice.news) বিডি ভয়েসে। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ  করুন-01715653114 "ধন্যবাদ"

banner728x90

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,২১০,৯৮২
সুস্থ
১,০৩৫,৮৮৪
মৃত্যু
২০,০১৬
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১৬,২৩০
সুস্থ
১৩,৪৭০
মৃত্যু
২৩৭
স্পন্সর: একতা হোস্ট
আক্রান্ত

১,২১০,৯৮২

সুস্থ

১,০৩৫,৮৮৪

মৃত্যু

২০,০১৬

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
করোনা ঝুঁকিতে সংবাদকর্মীরা, সুরক্ষায় পাশে নেই কেউ!

করোনা ঝুঁকিতে সংবাদকর্মীরা, সুরক্ষায় পাশে নেই কেউ!

জেমস আব্দুর রহিম রানা:

গণমানুষের অধিকার নিয়ে সোচ্চার থাকা মানুষগুলো নিজেদের অধিকারের কথা বলার কেউ নেই! হুম আমি সাংবাদিকদের কথাই বলছি। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে
সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন-রাত একাকার করে কাজ করেও মহান এই পেশাটির সাথে জুড়ে গেছে ‘থ্যাংকসলেস’ শব্দটি।
বিশ্ব যখন মহামারি ভাইরাস করোনার কবলে, জনমনে যখন আকুণ্ঠ শঙ্কা, ঠিক তখনো হাজারো সংবাদকর্মী নিজের
জীবনের তোয়াক্কা না করে অবিরাম সংগ্রহ করে চলেছেন করোনার সংবাদ।
ন্যূনতম সতর্কতা ছাড়াই ছুটছেন
এয়ারপোর্টে নিচ্ছেন প্রবাস ফেরতদের ইন্টারভিউ তারপর ছুটে চলা হাসপাতালে করোনা রোগীর খোঁজে, সেখানে কথা হচ্ছে করোনার চিকিৎসা করা চিকিৎসকের সাথে। তারপর আবার জন জটলার প্রেস বিফ্রিং। কখনো কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে, কখনো তাকে ঘিরে জনগণের প্রতিবাদ মিছিলে!
ভাবতে পারেন, আমরা যখন
মাসের বাজার মজুদ করে বাড়িতে আছি করোনার সতকর্তায় তখন যেই মানুষটি আমাদের জানাচ্ছেন দেশে
করোনার প্রকোপ কতটুকু, বিশ্বে
কোথায় কি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে থেকে শুরু করে করোনার সব খবরাখবর সেই মানুষটিই ঘরে ফিরছেন কি করোনার চারিদিকে কোনোরকম সুরক্ষা ছাড়াই।
মনে পড়ে যায় হেফাজতের কথা,
বিডিআর বিদ্রোহ, ২১ আগস্ট পল্টনে আওয়ামী লীগের জনসভায় গুলি হচ্ছে, ককটেল
ফুটছে, গ্রেনেড ফুটছে আর সংবাদকর্মীরা তখন নিজের জীবনের নিরাপত্তার কথা ভুলে গিয়ে পাগলের মতো ছবিসহ সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত!

সংবাদকর্মীরা কি তবে মানুষ নয়! তাদের কি নূন্যতম সুরক্ষার কিটগুলো পাওয়ার কোনোই অধিকার নেই?
এইতো সেদিন চিকিৎসক ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় উপস্থাপক ডা. আব্দন নূর তুষার তাদের (চিকিৎসকদের) অধিকারের কথা বলতে গিয়ে বারবার আবেগ-আপ্লুত হয়ে
যাচ্ছিলেন। তখন আমার শুধুই মনে হচ্ছিল কতোটা অসহায় আমরা সংবাদকর্মীরা।
চিকিৎসক তার চিকিৎসা করবেন এই শপথ নিয়েই তিনি এসেছেন এই মহান সেবার পেশায়। তাকে ন্যূনতম সুরক্ষা
দিতেও আমরা পারছি না। তার কি পরিবার নেই, নেই কোনো স্বপ্ন! আর সুরক্ষা ছাড়া চিকিৎসা দিতে গিয়ে মারা পড়লে ক্ষতিটা কি শুধুই তার পরিবারের? এ জাতির কি কোনোই ক্ষতি নেই?
ঠিক তেমনি সাংবাদিকদের কি
পরিবার নেই, তার মৃত্যুতে কি এই জাতির কোনোই ক্ষতি হবে না? যখন এই কথাগুলো বলছি, তখন আমার সাংবাদিক সহযাত্রী ভাইরা ভুগছেন শিল্পের দৈন্যদশার মধ্য দিয়ে। চলছে
ছাঁটাই, বেতন-ভাতার নাই ঠিক, বছর শেষে ইনক্রিমেন্ট তো পূর্ণিমার চাঁদ, চাকরিটা টিকে থাকলেই যেন পরম পাওয়া! কি অপরাধ আমাদের! বলতে
পারেন!
থাক সে কথা, আসুন ফিরে আসি করোনায়। যেখানে জন জমায়েতকে দেখা হচ্ছে আত্মহত্যা হিসেবে সেখানে কি দরকার একটা প্রেস বিফ্রিং এ সবগুলো গণমাধ্যমের যাওয়ার? নিয়ম করে একটা হাউজ গিয়ে
সবাই ফুটেজ আর তথ্যগুলো ভাগ করে নিলেই কি হয় না! কিংবা ধরুন, যেই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা প্রেস ব্রিফিং করছেন তারাই না হয় ডিজিটালি ব্রিফিং করলো সেখান থেকে তথ্য আর
ফুটেজ নিয়ে হলো সংবাদ। বিশেষ কিছু দরকার পড়লে না হয় সংবাদকর্মীরা আলাদাভাবে হাতে নিলেন মুঠোফোন।

☆ জেমস আব্দুর রহিম রানা,
যশোর জেলা সমন্বয়কারী,
সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) ও যশোর জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক নাগরিক ভাবনা।
মোবাইল : ০১৩০০৮৩২৮৬৮
ইমেইল : ranadbf@gmail.comকরোনা ঝুঁকিতে সংবাদকর্মীরা,
সুরক্ষায় পাশে নেই কেউ!

জেমস আব্দুর রহিম রানা:

গণমানুষের অধিকার নিয়ে সোচ্চার থাকা মানুষগুলো নিজেদের অধিকারের কথা বলার কেউ নেই! হুম আমি সাংবাদিকদের কথাই বলছি। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে
সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন-রাত একাকার করে কাজ করেও মহান এই পেশাটির সাথে জুড়ে গেছে ‘থ্যাংকসলেস’ শব্দটি।
বিশ্ব যখন মহামারি ভাইরাস করোনার কবলে, জনমনে যখন আকুণ্ঠ শঙ্কা, ঠিক তখনো হাজারো সংবাদকর্মী নিজের
জীবনের তোয়াক্কা না করে অবিরাম সংগ্রহ করে চলেছেন করোনার সংবাদ।
ন্যূনতম সতর্কতা ছাড়াই ছুটছেন
এয়ারপোর্টে নিচ্ছেন প্রবাস ফেরতদের ইন্টারভিউ তারপর ছুটে চলা হাসপাতালে করোনা রোগীর খোঁজে, সেখানে কথা হচ্ছে করোনার চিকিৎসা করা চিকিৎসকের সাথে। তারপর আবার জন জটলার প্রেস বিফ্রিং। কখনো কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে, কখনো তাকে ঘিরে জনগণের প্রতিবাদ মিছিলে!
ভাবতে পারেন, আমরা যখন
মাসের বাজার মজুদ করে বাড়িতে আছি করোনার সতকর্তায় তখন যেই মানুষটি আমাদের জানাচ্ছেন দেশে
করোনার প্রকোপ কতটুকু, বিশ্বে
কোথায় কি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে থেকে শুরু করে করোনার সব খবরাখবর সেই মানুষটিই ঘরে ফিরছেন কি করোনার চারিদিকে কোনোরকম সুরক্ষা ছাড়াই।
মনে পড়ে যায় হেফাজতের কথা,
বিডিআর বিদ্রোহ, ২১ আগস্ট পল্টনে আওয়ামী লীগের জনসভায় গুলি হচ্ছে, ককটেল
ফুটছে, গ্রেনেড ফুটছে আর সংবাদকর্মীরা তখন নিজের জীবনের নিরাপত্তার কথা ভুলে গিয়ে পাগলের মতো ছবিসহ সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত!

সংবাদকর্মীরা কি তবে মানুষ নয়! তাদের কি নূন্যতম সুরক্ষার কিটগুলো পাওয়ার কোনোই অধিকার নেই?
এইতো সেদিন চিকিৎসক ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় উপস্থাপক ডা. আব্দন নূর তুষার তাদের (চিকিৎসকদের) অধিকারের কথা বলতে গিয়ে বারবার আবেগ-আপ্লুত হয়ে
যাচ্ছিলেন। তখন আমার শুধুই মনে হচ্ছিল কতোটা অসহায় আমরা সংবাদকর্মীরা।
চিকিৎসক তার চিকিৎসা করবেন এই শপথ নিয়েই তিনি এসেছেন এই মহান সেবার পেশায়। তাকে ন্যূনতম সুরক্ষা
দিতেও আমরা পারছি না। তার কি পরিবার নেই, নেই কোনো স্বপ্ন! আর সুরক্ষা ছাড়া চিকিৎসা দিতে গিয়ে মারা পড়লে ক্ষতিটা কি শুধুই তার পরিবারের? এ জাতির কি কোনোই ক্ষতি নেই?
ঠিক তেমনি সাংবাদিকদের কি
পরিবার নেই, তার মৃত্যুতে কি এই জাতির কোনোই ক্ষতি হবে না? যখন এই কথাগুলো বলছি, তখন আমার সাংবাদিক সহযাত্রী ভাইরা ভুগছেন শিল্পের দৈন্যদশার মধ্য দিয়ে। চলছে
ছাঁটাই, বেতন-ভাতার নাই ঠিক, বছর শেষে ইনক্রিমেন্ট তো পূর্ণিমার চাঁদ, চাকরিটা টিকে থাকলেই যেন পরম পাওয়া! কি অপরাধ আমাদের! বলতে
পারেন!
থাক সে কথা, আসুন ফিরে আসি করোনায়। যেখানে জন জমায়েতকে দেখা হচ্ছে আত্মহত্যা হিসেবে সেখানে কি দরকার একটা প্রেস বিফ্রিং এ সবগুলো গণমাধ্যমের যাওয়ার? নিয়ম করে একটা হাউজ গিয়ে
সবাই ফুটেজ আর তথ্যগুলো ভাগ করে নিলেই কি হয় না! কিংবা ধরুন, যেই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা প্রেস ব্রিফিং করছেন তারাই না হয় ডিজিটালি ব্রিফিং করলো সেখান থেকে তথ্য আর
ফুটেজ নিয়ে হলো সংবাদ। বিশেষ কিছু দরকার পড়লে না হয় সংবাদকর্মীরা আলাদাভাবে হাতে নিলেন মুঠোফোন।

☆ জেমস আব্দুর রহিম রানা,
যশোর জেলা সমন্বয়কারী,
সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) ও যশোর জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক নাগরিক ভাবনা।
মোবাইল : ০১৩০০৮৩২৮৬৮
ইমেইল : ranadbf@gmail.com

আপনার মতামত এখানে লিখুন




banner728x90

banner728x90




banner728x90

© বিডি ভয়েস নিউজ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY Next Tech
Translate »
error: Content is protected !!